...এবং শীত এসেই গেল রাস্তা থেকে শুকালো না ভেজা রক্তের ক্যালিওগ্রাফি কোথাও কোথাও পোড়া ছাই স্বমহিমায় উড়ছে!
বাতাসে কয়লার গন্ধ ত্বকে টান-টান এবং বাজার থেকে ভ্যাসলিন উধাও! লোশন সংকট। ঝরতে শুরু করেছে অমিয় চোখের পাপড়ি— সাড়ে পাঁচটায় মাগরিবের আযান দিয়ে দেয় ব্রো।
রোদ ওঠে বাঁকা হয়ে—কোমল, সাহসহীন, ভঙ্গুর ও অক্ষম প্রহর কাটিয়ে ডুবে যায় পশ্চিমে, কুয়াশা পড়তে পড়তে ভারী এক নিস্তব্ধতা নেমে এসে গ্রাস করে রাত্রির মৌলিক গান ও শরীরের যাবতীয় উষ্ণ সংগীত এবং বিছানায় ছড়িয়ে পড়তে থাকে যাবতীয় কষ্টের কঙ্কাল।
ছায়া এবং আলো, করাতকল ও কিরিচ
ছায়া এবং আলো করাতকল ও কিরিচ—তোমাকে কিছু বলিনি, শহর ভরে গেছে পুরুষবেশ্যার খামারে নোনতা বিস্কুটে চা ডুবিয়ে বেশ সরব নাস্তার টেবিল।
কিছু মনে করতে যেও না, যাবে না, যেতে পারেন। সুধী, প্যান্টের জিপার লাগিয়ে নিন ব্রার হুকটা মেরামত করতে দিলে ভালো কিন্তু শৌচাগারগুলো দেখুন—ঠিক বুদ্ধিবিক্রেতা বুদ্ধিজীবীর শ্রী'র মতো— প্লিজ, রোদ নিয়ে কিছু বলতে যাবেন না, রাত্রির কদমতলায় পিরানহা মাছের তীব্র কলতান।
পালগ যে কাউকে বলার আগে একবার ভেবে নিন দেখে নিন নিজের আয়ুরেখা, আয়নার চেয়ে অভিজ্ঞ গুরুদেব কোথায় মেলাতে পারবেন না সাহেব।
0 Comments